বাংলাদেশ

দশম-দ্বাদশে নিয়মিত ক্লাস হবে , বাকিদের সপ্তাহে ১ দিন

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস শুরু হচ্ছে শিগগিরই। বাকিদের আপাতত সপ্তাহে এক দিন করে স্কুলে গিয়ে ক্লাস করতে হবে।

এই তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার জাতীয় সংসদে পরীক্ষা ছাড়াই উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিল পাস হওয়ার পর দেওয়া বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর এখন শুধুমাত্র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস হবে। বাকিরা সপ্তাহে এক দিন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস করবে।

তিনি বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর নিয়মিত ক্লাস হবে। অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একদিন করে ক্লাসে আসবে। পুরো সপ্তাহের পড়া নিয়ে যাবে। পরের সপ্তাহে আবার একদিন আসবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা না নিয়ে ফল প্রকাশে যেই আইনি জটিলতা ছিল তা নিরসন হওয়ায় যত দ্রুত সম্ভব এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

গত বছরের অক্টোবরে শিক্ষামন্ত্রী জানান ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পরীক্ষা না নিয়েই দেয়া হবে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরীক্ষা না নিয়ে ফল দেয়ার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তবে পরীক্ষা না নিয়ে ফলাফল দেয়ার বিষয়ে আইনি বাধা ছিল এতদিন। সেসব জটিলতা মাথায় রেখে বর্তমান আইন সংশোধন করে গত মঙ্গলবার সংসদে বিল উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী।

রবিবার বিলটি পাস হওয়ার পর এইচএসসির ফল প্রকাশ করা নিয়ে আর কোনো আইনি জটিলতা থাকলো না।

মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মত বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা না নেয়া সম্ভব হলে যেন পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশ করার বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এই বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে বলে শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান।

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এই বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হয়, তাহলে পরের কয়েকমাসের মধ্যে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের ঐ সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের প্রস্তুতি নিয়ে এ বছরের পরীক্ষা নিতে পারবো বলে আশা করি।”

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন জেএসসি এবং এসএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের এইচএসসি’র ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button