হটাৎ হু হু করে কমেছে দেশের স্বর্ণের দাম দেখেনিন সর্বশেষ বাজার মূল্য

গেল বছরে গোটা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির কারনে বিশ্ববাজারে সোনার দর ছিল ওঠানামার মধ্যে। গত মার্চের দিকে সোনা ও রূপার দর বেশ কিছুটা উর্ধ্বগতি থাকলেও ধীরে ধীরে সেটা কিছুটা কমেছিল। কিন্তু গোটা বিশ্বের অর্থনীতির অবস্থা যখন পড়তির দিকে থাকার কারনে আবারও বাড়তে থাকে সোনার দর।

অন্যদিকে গোটা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল সোনার বাজারে। লগ্নিকারকরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের করেছিলেন সোনার ক্ষেত্রে। বিশ্বে স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব ছিল দেশের বাজারেও। বছরের শেষের দিকে সোনার বাজারে দর কিছুটা উর্ধ্বগতি থাকলেও নতুন বছরে এসে কমেতে দেখা গেছে সোনার দর। দেশের বাজারে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সোনার দাম কমানোর পর জানুয়ারির ১২ তারিখ আবারও বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি বাজুসের তরফ থেকে ঘোষণা দেয়া হয় সোনার দর কমানোর। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি সোনার দর কমানো হয়েছিল ১৯৮৩ টাকা।

সেই দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দর দেশের বাজারে দাঁড়িয়েছিল ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকা। তবে ৩ ফেব্রুয়ারি বাজুসের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যে দেখা যায় সোনার দর আরও কমেছে। বাজুসের ওয়েবসাইটে দেয়া মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম হচ্ছে ৭২ হাজার ৬৪২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারন করা হয়েছে ৬২ হাজার ৪৯৮ টাকা। যা পূর্বের দাম ছিল ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ক্রয় করতে হলে নতুন মূল্য অনুযায়ী গ্রাহককে ব্যয় করতে হবে ৬০ আজার ৭৪৯ টাকা। যা পূর্বের দাম ছিল ৬০ হাজার ৭৬৯ টাকা।

উল্লেখ্য, নতুন করে বাজুসের ওয়েবসাইটে দাম কমানোর ব্যাপারে জানানো হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রসঙ্গে কোনো বিবৃতি দেয়নি দেশের বাজারে সোনা ও রূপার দাম নির্ধারন করা এই সংগঠন।