টানা তৃতীয় জয় পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে কুমিল্লা কৃতিত্ব যাদেরকে দিলেন অধিনায়ক কায়েস

আরও একটি জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ব্যাটিং কিংবা বোলিং কোনো বিভাগেই যেন কুমিল্লার কাছে পাত্তা পায়নি চট্টগ্রাম।

বল হাতে এদিন কুমিল্লার সামনে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি চট্টগ্রামের বোলাররা। লিটন দাস, ফাফ ডু প্লেসিস কিংবা ক্যামেরন ডেলপোর্টের সামনে অসহায় ছিল চট্টগ্রামের বোলাররা। এদিন লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ বলে ৪৭ রানের ইনিংস। এছাড়া প্লেসিসের ব্যাট থেকে ৫৫ বলে ৮৩ রাএর সাথে ২৬ বলে ৫১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন ডেলপোর্ট। এই তিন ব্যাটসম্যানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রানের পুঁজি পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরাও হতাশ করেছেন। কুমিল্লার বোলারদের সামনে যেনে এদিন পাত্তাই পায়নি চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা। একের পর আঘাতে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের ব্যাটিং অর্ডারের হাল ধরেছিলেন উইল জ্যাকস। তবে এতে কেবল হারের ব্যবধানই কমেছে।

৪২ বল মোকাবেলায় জ্যাকস খেলেন ৬৯ রানের ইনিংস। তবে বাকি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ৮ জনই সাজঘরে ফিরেছেন নিজেদের রান দুই অঙ্কের ঘরে নেয়ার আগে। ফলে চট্টগ্রাম ম্যাচ হেরেছে ৫২ রানের বড় ব্যবধানে। এদিন কুমিল্লার হয়ে মাত্র ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন নাহিদুল। সেই সাথে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ, তানভির ও শহিদুল। ১টি উইকেটের দেখা পেয়েছেন করিম জানাত।

এদিকে দলের এমন সাফল্যের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। দলের তিন ব্যাটসম্যান লিটন দাস, ডেলপোর্ট ও ফাফ ডু প্লেসিসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি। সেই সাথে নাহিদুলের বোলিংয়েরও প্রশংসা করেন কায়েস।

ম্যাচ শেষে কায়েস বলেন, ‘’আমাদের দল সত্যিই ভালো করেছে। ফাফ, ডেলপোর্ট, লিটন আজকে অসাধারণ ব্যাটিং করেছে।‘’

বোলিংয়ে নাহিদুলের ইতিবাচকতা তুলে ধরে কায়েস বলেন, ‘’নাহিদুলকে যখনই বল করতে বলেছি সে সবসময়ই হ্যাঁ বলেছে। আশা করি পুরো টুর্নামেন্টে সে এভাবেই চালিয়ে যেতে পারবে। আমাদের মুস্তাফিজ একজন চ্যাম্পিয়ন বোলার।‘’