বাংলাদেশে করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ১৮ লাখ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৩ হাজার ১৫৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৪২৫ জনে। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ১১ হাজার ৯৮৭। মঙ্গলবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার ৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৯.১৭ শতাংশ। এই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৭২১ জন। দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৯৩৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মারা যাওয়া ৩১ জনের মধ্যে পুরুষ ১৫ জন এবং নারী ১৬ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাতজন, সিলেট বিভাগের দুইজন, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের একজন করে। গত এক দিনে বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কেউ মারা যাননি।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭ হাজার ৩৪৮ জন। এ সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩২২ জন। মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ কোটি ৭৭ লাখ ১৫হাজার ৭৫৬ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ লাখ ৯১ হাজার ২০৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৬৫৭ জন এবং মারা গেছেন ৩৪৮ জন। রাশিয়ায় মৃত্যু ৬২১ জন এবং সংক্রমিত ১ লাখ ২৪ হাজার ৭০ জন। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৮ জন এবং মৃত্যু ৯১৪ জন। তুরস্কে আক্রান্ত ৯৩ হাজার ২৬১ জন এবং মৃত্যু ১৮২ জন। ইতালিতে আক্রান্ত ৫৭ হাজার ৭১৫ জন এবং মৃত্যু ৩৪৯ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৯৬ জন এবং মৃত্যু ১৪৭ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ৪৪২ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৬১৬ জন। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় ৭১ জন, পোল্যান্ডে ৩৩ জন, কানাডায় ১৩২ জন, আর্জেন্টিনায় ২৮৫ জন, গ্রিসে ১২৮ জন, মেক্সিকোতে ১৩১ জন এবং ভিয়েতনামে ১০৯ জন মারা গেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।