আবার টসের আগে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক বদল


টুর্নামেন্টের মাঝে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আচমকা চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক করা হয়েছিল নাঈম ইসলামকে।

এবার সেই নাঈম একাদশেই নেই। মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আফিফ হোসেনকে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পর বিপিএলের অষ্টম আসরের মাঝপথে অধিনায়ক পরিবর্তন করেছে সিলেট সানরাইজার্স। এতদিন সিলেটকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের সপ্তম ম্যাচে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড তুলে দেওয়া হয়েছে রবি বোপারার হাতে। অথচ অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের এই বিষয়টি জানতেন না সিলেটের ক্রিকেটাররা।

খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ১৫ রানের পরাজয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে সিলেটের প্রতিনিধি হিসেবে হাজির হন অলরাউন্ডার আলাউদ্দিন বাবু। তিনিই জানান, অধিনায়ক পরিবর্তনের পুরো বিষয়টি হয়েছে দৃষ্টির অগোচরে।

আলাউদ্দিন বলেন, ‘আপনারা যেমন মাঠে এসে জেনেছেন, আমরা খেলোয়াড়রাও মোটামুটি সবাই মাঠে এসে জেনেছি।’

আলাউদ্দিন অবশ্য যুক্তি দাঁড় করালেন- করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আর হারের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসতে ক্রিকেটারদের বেশিরভাগ সময় কাটছে নিজ নিজ হোটেল রুমে। এ কারণেই ইংলিশ অলরাউন্ডারকে অধিনায়ক করার কথা নাকি জানতেন না তারা।

আলাউদ্দিন আরও বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা সবাই মোটামুটি রুমেই থাকি। তাছাড়া বেশ কয়েকটা খারাপ ম্যাচ গেছে আমাদের, সবাই মানসিকভাবে চেষ্টা করছিলাম ভালোভাবে কামব্যাক করার। কেউ বাইরে যাচ্ছি না, রুমেই থাকা হচ্ছে। এটা তো ম্যানেজমেন্টের বিষয়। একদমই দৃষ্টির অগোচরে এই ব্যাপারটা। আমরা এ সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। মাঠে জেনেছি। যাই হোক, বোপারাও ভালোই করেছে আজকে। এটা ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার, আমি আসলে বলতে পারি না।’

এদিকে অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম ম্যাচেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বোপারা। তার বল টেম্পারিংয়ের কারণে সিলেটকে গুনতে হয়েছে ৫ রান জরিমানা। আলাউদ্দিন মনে করেন, আম্পায়াররা বল টেম্পারিংয়ের যে অভিযোগ তুলেছেন ও শাস্তি দিয়েছেন তা সঠিক নয়।

তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি খেলায় একটি রানও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচ রান তো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আম্পায়ার যে কারণ দেখাল বল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, আমার কাছে মনে হয়নি এমন কিছু হচ্ছে। বোপারা আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড দলের হয়ে খেলেছে। তাকে ৫ রান পেনাল্টি দেওয়াটা আমরাও খুব ভালোভাবে নিচ্ছি না।’