নারাইনকে প্রমোশন দিয়েই এমন ভয়ংকর রুপ ফিরে পেয়েছি : ইমরুল কায়েস


বল হাতে বেশি অবদান রাখলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সুনীল নারাইনের খ্যাতি অলরাউন্ডার হিসেবে। যদিও চলতি বিপিএলে ব্যাট হাতে সময়টা তেমন ভালো কাটছিল না। তবে নারাইন ব্যাট হাতে এমন দিনে জ্বলে উঠলেন,

যা নিশ্চিত করল দলের ফাইনাল।কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে অষ্টম আসরের ফাইনালে তোলার দিনে বিধ্বংসী ব্যাটিং বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছেন নারাইন। মাহমুদুল হাসান জয় বা ফাফ ডু প্লেসির বদলে এদিন নারাইনকে ওপেনার হিসেবে বেছে নিয়েছিল কুমিল্লা।

নারাইন দলকে এমন এক উড়ন্ত সূচনা এনে দেন যে কুমিল্লা ম্যাচ জিতে নেয় ৪৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচ শেষে কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস জানান,

এমন আগ্রাসী শুরুর জন্যই নারাইনকে পাঠিয়েছিলেন ওপেনিংয়ে। তিনি বলেন, ‘আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্যই ওকে ওপেনে পাঠিয়েছিলাম। এটা আমাদের পরিকল্পনাই ছিল। সে শুরুতেই বিধ্বংসী হয়ে উঠলে যেকোনো প্রতিপক্ষের সমস্যা সৃষ্টি হবে।

সে ঠিক এই কাজটাই করেছে।নারাইন যে স্লগ ওভারের চেয়ে শুরুতেই বেশি কার্যকরী, তা বুঝতে একটু বেশি সময়ই লেগেছে কুমিল্লার। দলের ভালোর কথা ভেবেই ব্যাটিং অর্ডারে ‘প্রমোশন’ দেওয়া হয় নারাইনকে।

ইমরুলের ভাষায়, ‘ওকে আমরা আগে ছয়ে ব্যাটিং করাচ্ছিলাম। এখানে ওরও তেমন কিছু করার নেই। ও তো আগ্রাসী খেলোয়াড়। ৬ নম্বরে কিছু করার থাকে না।

আমাদের মনে হয়েছে ও যদি ওপরে ব্যাটিং করে, ২-৩ ওভার বল ব্যাটে লাগে, আমাদের দলের জন্য ভালো কিছু হবে। সে সেটাই করেছে।’নারাইন যখন চার-ছক্কার ফুলঝুরি ফোটাচ্ছেন, তখন অপর প্রান্তে ইমরুল নিজেই হতভম্ভ।

প্রথম বলে লিটন দাসকে হারানোর পর ক্রিজে নামা ইমরুলের ২২ রানের ইনিংসও ভূমিকা রেখেছে দলের জয়ে।ইমরুল বলেন, ‘ওর যখন ব্যাটে লাগছিল, আমিও চেষ্টা করছিলাম পাওয়ারপ্লে যতটা কাজে লাগানো যায়। ওর ব্যাটিংয়ে কাজ সহজ হয়ে গেছে, যার কারণে খুব সহজে ম্যাচটা জিতে গেছি।’