ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সম্পর্কের অভনতি ঘটেছে।


ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা নিয়ে বিশ্বশক্তিগুলো কে কোন পথে যাচ্ছে বা কার দিকে পাল্লা বেশি ভারী, সে প্রশ্নই নানাভাবে ঘুরপাক খাচ্ছে। অন্যদিকে এর মাধ্যমে রাশিয়াই-বা বিশ্বকে কী বার্তা দিতে চাইছে, সে প্রশ্নও এসে যাচ্ছে। পাশাপাশি অনেকে আবার ভারতের ভূমিকাও কী হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন জুড়ে দিয়েছেন। কেননা গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন যে, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখ থেকে এমন কথা বলার পর এখন অনেকেই ভাবছেন, তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে ফাটল শুরু হয়েছে?

সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভোটের আগে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত একই পথে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঐ কথা বলেন। এর চেয়ে বেশি কিছু তিনি জানাননি। এরপরই এ নিয়ে অনেকে একে ‘বিব্রতকর বিভাজন’-এর দিকের ইঙ্গিত করেন।

চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের একটি প্রধান কেন্দ্র ভারত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ভারত। কিন্তু রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির সুসম্পর্ক বেশ পুরোনো। এখনো ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র সরবরাহকারী হলো মস্কো। এছাড়া ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের একটি হলো ভারত।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্করের সঙ্গে বৃহস্পতিবার আলোচনা করেছেন। এতে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা এবং অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহার ও যুদ্ধবিরতির আহ্বানের জন্য দৃঢ় সমন্বিত পদক্ষেপে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এক টুইটে জয়শঙ্কর বলেছেন, ব্লিনকেনের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন ইউক্রেন-পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে।