অবৈধ সম্পকেৃ হাতেনাতে ধরা লোকজন দুজনকে ধরে দিল থানায়, স্ত্রী গিয়ে দিলেন বিয়ে

স্বামীর পরকীয়া ঠেকাতে না পেরে প্রেমিকার সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন প্রথম স্ত্রী। স্বামী হাসান আলী বরগুনার তালতলী বাজারে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। এরইমধ্যে ফাতিমা নামের একে নারীর সঙ্গে তিনি অবৈধ সম্পকেৃ জড়িয়ে পড়েন। পরে প্রথম স্ত্রী অযুফা বেগম তাদের বিয়ে দেন। ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে অজুফা ও হাসান নিঃসন্তান। সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় তালতলী থানা চত্বরের সামনের একটি চায়ের দোকানে বসে পরকীয়া প্রেমিকা ফাতিমার সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে দ্বিতীয় বিয়ে হয় হাসানের। একইসঙ্গে প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগমেরও নতুন করে আড়াই লাখ টাকার কাবিনে বিয়ে পড়ান কাজী মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ।

জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. হাসানের সঙ্গে অজুফা বেগমের বিয়ের পর থেকেই পরকীয়া প্রেমে আসক্ত ছিলেন হাসান। এ নিয়ে পরিবারিক কলহ চলছিল। এরই মধ্যে সোমবার সকালে পরকীয়া প্রেমীকা ফাতিমার সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রেমিক-প্রেমিকাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। হাসানের প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগম বলেন, স্বামীর পরকীয়া ঠেকাতে নিরুপায় হয়ে এই বিয়ে দিয়েছি। এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।

মো. হাসান বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে আমাকে ডেকেছে ফাতিমা। দেখা করতে গেলে লোকজন জড়ো করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে আমাকে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগমকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা কাবিনে ও ফাতিমাকে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করি।’

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‌‘স্থানীয় লোকজন হাসানকে ও পরকীয়া প্রেমিকাকে আটক করে পুলিশ খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে হাসানের প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পরিবারের লোকজনের কাছে তাদের জিম্মা দেওয়া হয়। হাসানের বর্তমান স্ত্রী অজুফা বেগমের সঙ্গে নতুন করে আড়াই লাখ টাকার কাবিন হয় ও প্রেমিকা ফাতিমা আক্তারের সঙ্গে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দেওয়া হয়।