নকল করার অভিযোগে বহিষ্কার করার কয়েক ঘণ্টা পর, ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্নহত্যা করেন।

ভারতের বেঙ্গালুরে একটি ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে কলেজ কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি আত্নহত্যা করেন। রোববার (৬ মার্চ) টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য মতে, তারা ভাবিয়াকে তেমন কোনো অপমান করেনি, তাকে শুধু ইতিবাচক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম এস ভাবিয়া (১৯) । ভাবিয়া কোরমঙ্গলার জ্যোতি নিবাস কলেজের ছাত্রী এবং মুরুগেশপল্যার বাসিন্দা ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যম জানায়, শনিবার (৫ মার্চ) সকালে একটি পরীক্ষায় অংশ নিতে কলেজে যায় ভাবিয়া। পরীক্ষা শুরু হয় দুপুর ২টার দিকে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ভাবিয়াকে নকল করা অবস্থায় আটক করে। পরে তাকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। সোয়া ৩টার দিকে ভাবিয়া কলেজ থেকে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিয়া কলেজ থেকে বের হয়ে ডোমলুর দিকে যাওয়া একটি বাসে ওঠেন। কলেজ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অমরজ্যোতি লেআউটের কাছে গিয়ে নেমে পড়েন।

পরে তিনি জীবর নগরের কাছে অবস্থিত একটি ভবনের ছাদে ওঠেন এবং বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেখান থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাবিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে ভাবিয়া নকল করছিল বলে কলেজ কর্তৃপক্ষের করা দাবিকে অস্বীকার করেছে নিহতের পরিবার। তারা জানায়, ভাবিয়া মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তিনি ১১ ও ১২-এর ভালো মার্ক পেয়েছিলেন। তার পক্ষে পরীক্ষায় নকল করা সম্ভব নয়।