বাংলাদেশের জন্য আইপিএল হুমিক্র মুখে পড়েছে ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড। ধোঁয়াশা উড়িয়ে যেখানে রাখা হয়েছে আইপিএলে দল পাওয়া দেশটির তারকা ৮ ক্রিকেটারকেও।

যদিও আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল হয়ত রাবাদারা এ সময়ে জাতীয় দল থেকে ছুটি নিয়ে আইপিএল খেলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাতে পারেন। এদিকে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগটিতে প্রোটিয়া ক্রিকেটারদের ছড়াছড়ি থাকায় তাদের না পাওয়া গেলে বিপদেই পড়তে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে। আর তাই দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

জানা গেছে, বাংলাদেশের বিপক্ষে হোম সিরিজের কারণে প্রথম তিন সপ্তাহ আইপিএলের বাইরে থাকতে হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ এ ক্রিকেটারদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজটিতে ১৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আইপিএলে দল পাওয়া ৮ ক্রিকেটার হলেন -কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, রাসি ভ্যান ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, কুইন্টন ডি কক, এইডেন মার্করাম, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস এবং মার্কো জানসেন। এছাড়া অবসর নেওয়া সাবেক অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিও রয়েছেন। জানা গেছে, টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ খেলোয়াড়দের পাওয়ার বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের প্রধান গ্রায়েম স্মিথের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বিসিসিআই।

বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক থাকায় আমরা সমাধানের অপেক্ষায় আছি। তাদের তিন সপ্তাহ না পেলে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোকে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। বিসিসিআই স্মিথের ওপর নির্ভরশীল তবে এই তার মেয়াদও ৩১ মার্চ শেষ হচ্ছে। যাই হোক, এর আগে একটি সমাধান খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ইনজুরি সমস্যায় ছিটকে গেছেন এনরিখ নরকিয়া। তাকে নিয়েও চিন্তায় আছে দিল্লি ক্যাপিটালস। কারণ এমন অবস্থায় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড এ মৌসুমে তাকে আর আইপিএলে খেলতে দেয় কি না সেটি নিয়ে সন্দেহ আছে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ১৫তম আইপিএলের আসর।

কোভিডের কারণে এবারের আইপিএল খেলা হবে মাত্র চারটি মাঠে, যার মধ্যে তিনটি মাঠ থাকবে মুম্বাইয়ে এবং একটি মাঠ পুনেতে। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম, ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে খেলা হবে। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামও ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে। এবারের আইপিএল খেলা হবে ভিন্ন ফরম্যাটে। ১০টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।