রুশ সীমান্তে ১২ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানো নির্দেশ দিয়েছেন বাইডেন

প্রায় ১৭ দিন ধরে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনের উপর হামলা শুরু করে। এরপরই ইউক্রেনের পাশে দাড়াতে শুরু করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি রাশিয়ার সীমান্তে ১২ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বাইডেন জোর দিয়ে বলেছেন, ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ করেছেন তাতে তিনি বিজয়ী হবেন না। শুক্রবার (১১ মার্চ) হাউস ডেমোক্র্যাটিক ককাসের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা ন্যাটো অঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করব। এসময় বাইডেন জানান, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ লাটভিয়া, এস্টোনিয়া, লিথুনিয়া ও রোমানিয়ায় ১২ হাজার মার্কিন সেনাদের পাঠানো হয়েছে। তবে তারা ইউক্রেনের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন না।

এ সময় বাইডেন বলেন, ন্যাটো এবং রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ হলে সেটি হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। যা প্রতিরোধে সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। রাশিয়া যদি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে তবে তাদের ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর মতো ইউক্রেনে লাখ লাখ ডলারের অস্ত্র যেমন অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট এবং অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে, পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। কিন্তু বাইডেন আবারও জোর দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনীয়দের আবেদন সত্ত্বেও মার্কিন বাহিনী সেখানে যুদ্ধ করবে না। বাইডেন জানান, মার্কিন সরকার এর আগেও দেখেছে যে— রাশিয়ার সরকার ২০২০ সালে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনি ওপর ‘স্লো পয়জনের’ প্রয়োগ এবং ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডে থাকা সের্গেই ও ইউলিয়া স্ক্রিপালের ওপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছিল।