দুই শ্যালকের স্ত্রী মিলে দুলাভাইয়ের বিশেষ অঙ্গ কর্তন

দুই শ্যালককে সৌদি পাঠিয়ে তাদের ২ জনের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড় বেলতা গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও এনজিও কর্মকর্তা বজলুর রহমান।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৬ জুন মঙ্গলবার গভীর রাতে জেনারেল হাসপাতাল টাঙ্গাইলে বিশেষ অঙ্গ কর্তন অবস্থায় ৩য় তলায় ৬ নং ওয়াডে ভর্তি হন। বজলুর রহমানের চাচাতো ভাই স্থানীয় মেম্বার পলু জানান, দীর্ঘদিন ধরে শ্যালকের স্ত্রীর সাথে বজলুর রহমানের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। সে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা করে শ্বশুর বাড়ী এবং তার দুই শ্যালোককে সৌদি পাঠায়। তার এনজিও থেকে লোন দিয়েছিলো, সেই সুত্রে নিয়মিত কিস্তির টাকার জন্য যাতায়াত ছিল। হয়তো তার এবং অন্য কারো সাথে দুই নারীর সর্ম্পক জেনে যায় মনে হয়।

বজলুর সাথে এতে কথা কাটাকাটি হতে পারে। দুই নারী কৌশলে তাকে গভীর রাতে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে তাকে দুজনে একসাথে জরিয়ে ধরে পোষাক খুলে বুঝে উঠার আগেই ব্লেড দিয়ে অঙ্গ কেটে দেয়। ঘটনাটি যেহেতু আত্মীয়ের মধ্য তাই কোন পক্ষ মামলা করেনি, দুই পক্ষ থেকে আপোষ মিমাংসা করার আলোচনা চলছে।

দুই প্রবাসীর স্ত্রীগণ জানান, তার নোনাশের স্বামী নিয়মিত তাদের নির্যাতন করতো। সোম বার গভীর রাতে তাদের বাড়িতে গিয়ে দুজনের সাথে একত্রিত মেলামেশা করার চেষ্টা করে, এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নাবুঝে হাতের কাছে থাকা ব্লেড দিয়ে বজলুর রহমানের বিশেষ অঙ্গ কেটে দেয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাজেদ জানান, উভয় পরিবারের অভিযোগ নেই। তারা পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করেছে বলে উভয়ের অভিভাবক জানিয়েছে।

তার পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত নেতাকর্মীদের ডেকে বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলার নেতাকর্মীদের নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়ে সভা ও আলাপ আলোচনা করে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র নিয়ে নির্দেশনা দিচ্ছে। যার ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল শোডাউনসহ নির্বাচনী সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, নির্বাচনী আচরণবিধিও লঙ্ঘন হচ্ছে। তেমনি সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ঠিক তেমনি আতঙ্কও সৃষ্টি করা হচ্ছে।