এবার দুই ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন ছয়টি উপজেলার এলাকার গ্রাহকরা প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ে ভুগবেন। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দিনে এক ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়ার কথা থাকলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা লোডিং দেওয়া হবে। বুধবার (২০ জুলাই) থেকে জেলার সদর উপজেলাসহ ৯ উপজেলায় এ লোডশেডিং কার্যকর হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিজস্ব ওয়েবসাইটে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারের দেওয়া নির্দেশনায় মফস্বলে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সেটা বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা করার কথা জানানো হয়েছে। সে অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শুধু পিকআওয়ারে এলাকাভিত্তিক এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেওয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার সই করা এক চিঠিতে এতথ্য জানা যায়। এদিকে মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) জেলার বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং অব্যাহত আছে। সোমবার (১৮ জুলাই) রাত থেকেই বিভিন্ন উপজেলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। দিনের বেলাতেও ছিল একই অবস্থা। তবে সে অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় তেমন সমস্যা দেখা দেয়নি। পৌর এলাকায় বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করলেও স্থায়িত্ব ছিল তুলনামূলক কম।

পল্লী বিদ্যুতের করা তালিকায় দেখা যায়, ঘুরেফিরে ২৪ ঘণ্টাই এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং দেওয়া হবে। সদর দপ্তর, বাহাদুরপুর, বিজয়নগর-২ (চম্পকনগর), আখাউড়া-১ (সদর), উড়শিউড়া (সুলতানপুর), নবীনগর-৩ (বিদ্যাকুট), নবীনগর-৪ (সাহারপাড়), আখাউড়া-২ (মোগড়া), কসবা-২ (তিনলাখ পীর), কসবা-১ (কুটি), নবীনগর-১ (নবীনগর সদর), নবীনগর-২ (থোল্লাকান্দি), নাসিরনগর, বিজয়নগর-১ (চান্দুরা), নবীনগর-৫ (জিনদপুর) উপকেন্দ্রে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার বিকেল বলেন, ‘বুধবার থেকে ওয়াবসাইটে দেওয়া তালিকা কার্যকর হবে। আশুগঞ্জে ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং বেশি দিতে হবে। কারণ বাইরে থেকে আমরা সে অনুযায়ী বিদ্যুৎ আনতে পারছি না। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’