মাস্ক সংকটে চীনাদের অদ্ভুত সব আবিষ্কার

ভিন্ন খবর

প্রয়োজন সব আবিষ্কারের জননী। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে প্রবাদটি আরেকবার হাতেনাতে প্রমাণ হয়ে গেল। ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে দরকারি জিনিসটি হচ্ছে একটি মাস্ক। কিন্তু ১৪০ কোটি জনগণের সবার জন্য মাস্ক সরবরাহ করতে হিমশিম অবস্থা চীনের। উপায়ান্তর না দেখে মাস্কের বিকল্প হিসেবে একের পর এক অভিনব সব আবিষ্কার করে চলেছে ‘উদ্ভাবক’ চীনারা।

অদ্ভুত

কেউ কমলা লেবুর খোসা দিয়েই জুতসই একটি মাস্ক বানিয়ে ফেলছে। কেউ আবার পানির প্লাস্টিক বোতলটা দিয়েই মাস্কের কাজ সারছে। কয়েকদিন আগেও এ ধরনের প্লাস্টিক বোতল মুখে পরাটা অদ্ভুত মনে হলেও চীনজুড়ে এটা এখন স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। এমনকি মোটরসাইকেলের হেলমেটটি পর্যন্তও প্রয়োজনে মাস্ক হয়ে গেছে।

চীনে যেভাবে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। আতঙ্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশটির বেশকিছু স্থানে মাস্কের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ মাস্ক না পেয়ে রীতিমতো বুদ্ধি খাটিয়ে এমন সব জিনিস মুখে পরতে শুরু করেছেন, যা দেখে অবাক পুরো বিশ্ব। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, যেসব মানুষ মাস্ক কিনতে পারছেন না তারা নানারকম ফলের খোসা, বোতল ও নানা জিনিস দিয়ে মাস্কের মতো করে বানিয়ে ফেলেছেন। করোনাভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন প্রথমদিকে সেভাবে মাস্কের আকাল পড়েনি।

অনেকে একই মাস্ক পুনরায় ব্যবহার করেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে মাস্ক মাত্র একবারই ব্যবহার করা উচিত। আর এরপরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে। করোনা থেকে বাঁচতে পানির বোতল, ফলের খোসা এমনকি বাঁধাকপির খোসাও ব্যবহার শুরু হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ‘জরুরি ভিত্তিতে’ মাস্কের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে চীন। শুধু মাস্ক নয়, প্রয়োজন হয়ে পড়েছে আরও কিছু মেডিকেল সরঞ্জামও। করোনাভাইরাসে ‘খেই’ হারিয়ে ফেলা চীনের পাশে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, কাজাখস্তান ও হাঙ্গেরি।