করো’না ভাই রাসে দেশের প্রথম মৃ ত ব্যক্তির দা ফন যেভাবে করা হয়েছে

বাংলাদেশ

করো’না ভাই রাসে আ ক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম মৃ ত্যুবরণ করা ব্যক্তির দা ফন রাজধানীর আজিমপুর ক বরস্থানে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্দেশে ক ঠোর সত র্কতার মধ্য দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এ দা ফন কাজ সম্পন্ন করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাদ এশা মৃ ত ওই ব্যক্তির দা ফন সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও পু লিশি পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সে ম রদে হ আনা-নেয়াসহ সত র্কতা অবলম্বন করতে গিয়ে দা ফন সম্পন্ন হতে রাত ১১টা বাজে।

এর আগে বুধবার দুপুরে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করো’না আ ক্রান্ত একজন রো গীর মৃ ত্যুর কথা নিশ্চিত করে সরকারের রো গতত্ত্ব, রো গনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, মা রা যাওয়া ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর মাধ্যমে আ ক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি আ ক্রান্ত ১০ জনের একজন ছিলেন। মৃ ত্যুবরণ করা ওই রো গীর বয়স ৭০ বছরের বেশি ছিল। তিনি উচ্চ র ক্তচা’প, কিডনি এবং ডায়াবেটিকসের রো গে ভু গছিলেন, মৃ ত্যুর আগে তিনি কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। আইইডিসিআরের তথ্যমতে, দেশে আরও চারজন করো’নায় আ ক্রান্ত হয়েছে। মোট আ ক্রান্ত রো গীর সংখ্যা ১৪ জন এবং এর মধ্যে ভাই রাসে আ ক্রান্ত হয়ে মা রা গেছে একজন। আ ক্রান্তদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশ ঙ্কাজনক। তাদের ডায়াবেটিস, হার্টের প্রবলেম আছে।

আরও পড়ুন=বিভিন্ন দেশের সরকার সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা না নিতে পারলে করো’না ভাই রাসের প্রভাবে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে। বুধবার (১৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এক বিবৃতির মাধ্যমে এ শ ঙ্কার কথা জানিয়েছে। সে সঙ্গে সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক সং কট প্রবল হতে পারে বলেও আশ ঙ্কা করেছে সংস্থাটি। তবে আইএলও বলেছে, ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনেতিক মন্দার সময় যেভাবে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, এবারও তেমনটি করা গেলে বেকারত্বের হার কমে আসতে পারে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান মতে, করো’না মহামা রির প্রভাব খুব স্বল্পমাত্রায় হলে চাকরি হা রাতে পারেন কমপক্ষে ৮০ লাখ মানুষ। আর এরপ্রভাব উচ্চমাত্রায় হলে এ সংখ্যা দাঁড়াবে দুই কোটি ৪৭ লাখে। ২০০৮-০৯ সালে বৈশ্বিক আর্থিক সং কটের সময় বেকার হয়েছিলেন দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ। আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, করো’না ভাই রাস শুধু বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সং কট না, এটা বৈশ্বিক শ্রমবাজার এবং অর্থনীতির সং কট। মানুষের ওপর এর ভ য়ানক প্রভাব পড়ছে। ২০০৮ সালে সারাবিশ্ব সং কট থেকে উত্তরণে সমন্বিতভাবে ল ড়াই করেছিল। যার কা রণে ভ য়াবহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণেও তেমনই নেতৃত্ব দরকার।

দেশে করো’না ভাই রাসে নতুন করে তিনজন আ ক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে করো’না ভাই রাস নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। এ নিয়ে দেশে মোট আ ক্রান্তের সংখ্যা ১৭-তে দাঁড়ালো। আবুল কালাম আজাদ জানান, নতুন করে আ ক্রান্ত তিনজনই একই পরিবারের সদস্য। তাদের মধ্যে একজন নারী ও দুইজন পুরুষ। আ ক্রান্ত ওই নারীর বয়স ২২ বছর। পুরুষ দুইজনের বয়স যথাক্রমে ৬৫ ও ৩২ বছর। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত এই ভাই রাসে আ ক্রান্ত হয়ে দেশে মৃ তের সংখ্যা একজনই। করো’না ভাই রাস নিয়ে সরকারের রো গতত্ত্ব, রো গ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) খোলা হটলাইনে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৮ জন সেবা নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এর আগে বুধবার পর্যন্ত দেশে ১৪ জন করো’না রো গী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর।