রাঙামাটির তিনগ্রামে ৫ শিশুর মৃ’ত্যু, অসুস্থ আরও ‘একশ’

বাংলাদেশ

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে হামে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে ১৯ দিনের ব্যবধানে পাঁচ শিশুর মৃ’ত্যু হয়েছে। এছাড়া শিশু-বয়স্কসহ আরও শতাধিক মানুষ এই রোগে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। মৃ’তরা হলো- সাগরিকা ত্রিপুরা (১১), সুজন কুমার (৯) কহেন ত্রিপুরা (১০), বিধান ত্রিপুরা (১২) এবং রেজিনা ত্রিপুরা (৮)। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তিন শিশু এবং গত ২৬ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি দুই

শিশুর মৃ’ত্যু হয়। শুক্রবার রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা জানান, বাঘাইছড়ি উপজেলায় হামে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে বৃহস্পতিবার তিন শিশুর মু’ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৯ দিনের মধ্যে মোট পাঁচ শিশুর মৃ’ত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও শতাধিক মানুষ হামে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে রাঙ্গামাটি স্বাস্থ্য বিভাগের একটি জরুরি দল বাঘাইছড়ির সাজেক ইউনিয়নে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে বলেও জানান তিনি। সাজেক ৯নং ওয়ার্ডের সিয়ালদাহ এলাকার ইউপি সদস্য ও কারবারি জুপ্পুইথাংক ত্রিপুরা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে এখানে হামের প্রা’দু’র্ভাব দেখা

দিয়েছে। সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলসন চাকমা নয়ন শিশু মৃ’ত্যু’র বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দু’র্গ’ম এলাকা হওয়ায় আ’ক্রা’ন্ত’দের চিকিৎসা সেবা দিতে কিছু স’ম’স্যা হচ্ছে। বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিজিবির ২টি মেডিকেল দল চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করলেও, সে’না’বা’হিনী হেলিকপ্টারের সহযোগিতায় আ’ক্রা’ন্ত’দের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে মৃ’তে’র সংখ্যা বাড়তে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু বলেন, শিশু মৃ’ত্যু’র বিষয়টি খুবই দুঃ’খ’জনক। সেখানে উন্নত চিকিৎসার জন্য সে’না’বা’হিনীর হেলিকপ্টারের সহায়তা নেয়ার চেষ্টা করছি এবং আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে সম’স্যা’টি কে’টে যাবে। বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইফতেকার আহম্মেদ বলেন, আমরা দুটি মেডিকেল টিম পাঠিয়েছি, তারা কাজ করছে।