এমন মৃ ত্যু কারও ভাগ্যে যেন না হয়!

Uncategorized

বিশ্বব্যাপী প্রা’ণঘা তী করো’না ভাই রাসে মৃ তের সংখ্যা বাড়ছেই। আ ক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশেও হানা দিয়েছে ম রণঘা তী এই ভাই রাস। দেশে করো’নায় আ ক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মা রা গেছেন একজন। আর আ ক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। তবে মা রা যাওয়া ব্যক্তিদের কপালে জুটছে না জা নাজা কিংবা আত্মীয়-স্বজনের দেখা। কী মর্মা ন্তিক এই মৃ ত্যু। আপনজনের মৃ ত্যু হলেও ভ য়ে দেখতে যেতে পারছেন না কেউ। করো’না ভাই রাসে মৃ ত এমন এক ব্যক্তির জা নাজার বর্ণনা দিয়েছেন মহিবুল্লাহ মুহিব নামে একজন ব্যক্তি। আজ বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশে করো’না ভাই রাসে মৃ ত প্রথম ব্যক্তির জা নাজা নিয়ে মর্মা ন্তিক বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। পাঠকদের উদ্দেশে ফেসবুকের ওই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘কী মর্মা ন্তিক!

এমন মৃ ত্যু কারও ভাগ্যে যেন না হয়। যিনি বাংলাদেশে করো’নায় মা রা গেলেন, সেই ব্যক্তিও কি কখনো ভেবেছিলেন, তার লা শের পাশে আসবে না কোনো স্বজন? তার জা নাজায় থাকবে না কোন মুসল্লি? শেষবারের মতো এক নজর দেখতে ভীড় করবে না কেউ? এমন মৃ ত্যু কি কখনো তার কল্পনায় ছিল? হ্যাঁ, এটি এখন বাস্তবতা। ফেসবুকে বিদেশে করো’নায় মৃ তের লা শ সৎ কারের দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছে অনেকেই। এটি ফেসবুক নয়, বাস্তব এবং বাংলাদেশের দৃশ্য। যে দৃশ্য দেখে কেউ স্থির থাকতে পারে না। প্রা’ণঘা তি করো’না ভাই রাসে আ ক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম মৃ ত ব্যক্তির দা ফন হয়েছে আজিমপুর ক বরস্থানে। এই ব্যক্তির দা ফন-কা ফনে তার স্বজনদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি হয়নি জা নাজাও। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম লা শের দা ফনের ব্যবস্থা করেছে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের একজন ম্যাজি স্ট্রেট দূর থেকে শুধু তদারকি করেছেন।

কে জানে, এমন দু র্ভাগ্য আপনার-আমার হবে না? উল্লেখ্য, বিদেশ থেকে আগত এক আত্মীয়ের মাধ্যমে সং ক্রামিত হয়েছিলেন এই বৃদ্ধ। একমাত্র সচেতনতাই পারে আমাদের এই দুর্যো গ থেকে বাঁচাতে…।’ এমন মৃ ত্যু কারও ভাগ্যে যেন না হয়! চীনের উহান থেকে ছ ড়িয়ে পড়া প্রা’ণঘা তী এই করো’না ভাই রাসে এখন পর্যন্ত ১৭৬টি দেশের ২ লাখের বেশি মানুষ সং ক্রমিত হয়েছে, মৃ ত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৯ হাজার মানুষের। করো’না ভাই রাসে আ ক্রান্তদের নাম পরিচয় নিয়ে গো পনীয়তা বজায় রাখছে সরকার। আত ঙ্ক দূরে রাখতে করো’নায় মৃ ত ব্যক্তির নামও প্রকাশ করছে না সরকার। এমতাবস্থায় করো’নায় আ ক্রান্ত হয়ে কোনো মুসলমান মা রা গেলে তার দা ফন কিভাবে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দা ফন বিশেষ প্রক্রিয়ায় হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রো গতত্ত্ব, রো গ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।
সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, নিজেদের ব্যবস্থাপনায় মৃ ত ব্যক্তির দা ফন সম্পন্ন করা হবে। লা শ আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষ নিজেরাই প্যাকেট করে দেবেন এবং পরিবহনের ব্যবস্থাও করবেন।

‘মৃ ত ব্যক্তির লা শ প্যাকেট করার আগে আমরাই ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, গোসল করিয়ে দেব। এরপর কা ফনের কাপড় পড়িয়ে প্যাকেট করা হবে। সেই প্যাকেট কোনো অবস্থাতেই কেউ খুলতে পারবে না। প্যাকেট খুলে আত্বীয়-স্বজন লা শের মুখ দেখার সুযোগ নেই।’ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘লা শ প্যাকেট করার পর তা খোলা হলে করো’না ভাই রাস ছ ড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। এতে বড় ধরনের ক্ষ তি হতে পারে। তাই যেভাবে আমরা প্যাকেট করে দিবো সেভাবে আমাদের লোক দিয়ে আমাদের ব্যবস্থাপনায় ক বর দেয়া হবে।’
করো’নায় মা রা যাওয়া রো গীর জা নাজা হবে জানিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক বলেছেন, ইসলামের বিধান অনুযায়ী, একজন মৃ ত ব্যক্তির

জন্য যে ধরনের জা নাজার প্রয়োজন হয় তাতে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। লা শ সামনে রেখে জা নাজা পড়া যাবে এবং তাতে অংশ নেয়া যাবে। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে আইইডিআরের পরিচালক জানান, করো’নার থা বায় বাংলাদেশে একজন মা রা গেছেন। ওই ব্যক্তির বয়স ছিল ৭০ বছরের বেশি এবং তিনি ডায়াবেটিস ও উচ্চ র ক্তচা’প, কিডনিসহ আরো বিভিন্ন সমস্যায় ভু গছিলেন। গত ৮ মার্চ প্রথমবারের মতো দেশে তিনজন করো’না ভাই রাসে আ ক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। তিনজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন। তবে প্রথম আ ক্রান্ত হওয়া তিনজনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানিয়েছে আইইডিসিআর। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজন করো’নায় আ ক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ১৭ জন করো’না রো গী শনাক্ত হয়েছেন দেশে।